• সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
লাঞ্ছিত জীবনগাঁথা ঈদগাঁওতে ডিসি ও এস পি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে ঈদগাঁওতে নতুন পুরাতন প্রার্থীদের দৌঁড় ঝাঁপ ইয়াবা ও দালালীর জাদুতে আলাদীনের চেরাগপ্রাপ্ত কথিত সাংবাদিক নেতা কেতারা কি আইনের উর্ধ্বে? জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল হাই ৩১ দিন পর অক্ষত অবস্থায় মুক্ত জাহাজসহ জিম্মি থাকা ২৩ নাবিক জামিন প্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া, ঠেকানো যাচ্ছে না আগ্রাসন পেটে ভাত নেই,”গরিবের আবার কিসের ঈদ” কক্সবাজারে মাদক পতিতার মজুদ,আনন্দ বাড়াতে উড়াল দিচ্ছে ধনীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু টেকনাফ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের সহায়তা চাইলেন এসপি মাহফুজ

নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম
আপডেট : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১

টেকনাফের নাফনদীতে ভাসমান অবস্থায় নারী—শিশুর ৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে ১জন নারী এবং ২ জন শিশুকন্যা। শনিবার (১২ জুন) দুপুর ১টায় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার পুর্বে নাফনদী সীমান্ত থেকে বিজিবি ও স্থানীদের সহয়তায় হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে লাশগুলো উদ্ধার করে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ।
হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, শনিবার সকালের দিকে নাফনদীর মৌলভী বাজার সীমান্তে ৩ নারী—শিশুর লাশ দেখে স্থানীয়রা ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশকে খবর দেয়। পরে বেলা সাড়ে ১২টায় টেকনাফ মডেল থানার এসআই মাহমুদুল হাসান, আবদুর রব, মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেড়িবাঁধের কিনারায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় নারী—শিশুর ৩টি লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তারা রোহিঙ্গা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। হয়তো মিয়ানমার থেকে ভেলায় করে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৩ জনের শরীরে আঘাতের কোন ক্ষত নেই। তাছাড়া কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা কেন বা কি উদ্দেশ্যে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার পুর্বে নাফনদীতে গিয়েছিল বা নৌকা ডুবির ঘটনা হয়ে থাকলে নৌকায় তারা কতজন ছিল এবং বাকিদের কি পরিণতি হয়েছে তা বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যাচ্ছেনা। মৃত দেহের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিবন্ধন কার্ড মতে মৃতদেহ সমুহ রোহিঙ্গা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা হলেন কুতুপালং ক্যাম্পের আব্দুস সালামের মেয়ে সমজিদা (৩৫), ৬ বছর এবং ২ বছরের দুই শিশু। দু’জনই মেয়েশিশু।
এদিকে ঝাঁকি জাল নিয়ে মাছ শিকারী নবী হোসেন নামে এক জেলে বলেন, আমি নাফনদীতে মাছ শিকারের সময় মিনাবাজারের পূর্বে নাফনদীতে ভাসমান অবস্থায় ২ জন বয়স্ক মহিলার মৃত দেহ দেখতে পেয়েছি। তখন আমি ভয়ে চলে আসি। এখন দেখছি পুলিশ এসে এখান থেকেও ৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করছে’।
টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসী থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের ধারণা তারা রোহিঙ্গা। হয়তো মিয়ানমার থেকে ভেলায় করে বাংলাদেশে প্রবেশের বা মিয়ানমারে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। নারী—শিশুর ৩টি লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরির পর ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে’।


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন