• শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত  বর্নাঢ্য আয়োজনে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সমিতির বার্ষিক মিলন মেলা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন  লামায় মানবজমিন-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঈদগাঁওর সুপারি গলির আশপাশ ময়লা আবর্জনায় ভরপুর : ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ  উখিয়ায় আলোচিত সৈয়দ করিম হত্যাকন্ডের আসামী  সালামত উল্লাহ গ্রেফতার : রক্তাক্ত ছুরি ও নিহতের পরিহিত জামা উদ্ধার পুলিশ পদক পেলেন কক্সবাজার পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৪’ উপলক্ষে পদক পেলেন র‌্যাব-১৫ এর সিইও সহ ৩ কর্মকর্তা টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গনির নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে দুইটি অস্ত্র উদ্ধার। কুরআনের পথে না চললে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না : ক্বারী আবুল কাসেম সরকার বড় ভাইকে মারধরের ঘটনায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আনাছের সাজা আপিলেও বহাল

বদির গদি কেঁড়ে নিতে ডজন প্রার্থী মাঠে : মাদক ঘুষ দুর্নীতি মুক্ত এমপি চায় ভোটাররা

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


ডা.মুহাম্মদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ:


পাহাড়ের সারি আর সমুদ্র ছুঁয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের দক্ষিণ আকাশে শেষ রেখা এঁকেছে সীমান্ত উপজেলা উখিয়া – টেকনাফ।

 এটিই কক্সবাজার সংসদীয় আসন-৪।

 দেশজুড়ে বইয়ে চলা সংসদ নির্বাচনের ভোটের হাওয়া পৌছে গেছে নাফ  সীমান্তের ওপার মিয়ানমার সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে।

ভোটের জল্পনা কল্পনা চলছে এই আসনটিতেও।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সাবেক   বিতর্কিত মাদক চোরাচালান মাফিয়া এবং পতিতা গডফাদার  আব্দুর রহমান বদিকে নিয়ে।

সীমান্তের এই আসনে আওয়ামিলীগ যার উপরে ভরসা রাখে সেই বদিতে আবারও আস্থা রাখবে নাকি ভিন্ন কারো হাতে তুলে দিবেন দলীয় প্রতীক সেই জল্পনা কল্পনা এখন তুঙ্গে। যদি নৌকার প্রতীক মাদক ঘুষ এবং দুর্নীতিতে লিপ্ত কাউকে তুলে দেওয়া হয় তার সমোচিন জবাব দিতে প্রস্তুত এখন উখিয়া টেকনাফের সাধারণ ভোটার এবং বিশ্বের পেশাদার সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ।

তারা মনে করেন শক্তি সামর্থ থাকার পরও ওসি প্রদীপের জুলুমের সময় এই আসনে যারা বিচার বহির্ভূত মানুষ হত্যার প্রতিবাদ করেন নি।

উল্টো নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে চুপচাপ ছিল তাদের কারোই  আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসনে এমপি নির্বাচনের নৈতিক অধিকার নেই।

তাই এইখানকার সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বুকের তাজা রক্ত দিয়ে যিনি মামলা হামলার শিকার হয়েছেন সেই নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে নৌকার মনোনয়ন না দিলে বিষয়টি চরম অমানবিক এবং জুলুম হবে।

এতে করে সরকারের মাদক ঘুষ দুর্নীতি নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষনার ইচ্ছে অনিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

দেশবিদেশে সাধারণ মানুষের বুঝবার বাকি থাকবে না

ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকারের সৎ মানুষের কোন মূল্য নেই।

টাকা, ক্ষমতা,পেশিশক্তি থাকলেই যে কেউ আওয়ামীলীগের এমপি হতে পারে।

তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য বদির বাবার মতো সীমান্তের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ হয় এখনও বদির হাতে। কথিত আছে, এজাহার মিয়া কোম্পানি যেদিকে যেতেন সেদিকে রাজনীতির চাকা ঘুরত একসময়।

 

আশির দশকে উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করত এজাহার কোম্পানি।

বাবার দেখানো পথে হাঁটছেন বদিও।

এজাহার মিয়া কোম্পানি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে এসেছিলেন।

 পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতে রাজনীতিতে পা বাড়াতেই হোঁচট খেলেন বদি।

 ১৯৯৬ সালে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে পরে সেটি কেড়ে নেয়া হয় বদির কাছ থেকে। ক্ষিপ্ত হয়ে বদি যোগ দেন আওয়ামীলীগে। আওয়ামী রাজনীতিতে উত্থান হতে থাকে বদির।

যোগদানের দুই বছর পর ১৯৯৮ সালে পৌর প্রশাসক, ২০০২ সালে টেকনাফের মেয়র, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে দুইবার সাংসদ নির্বাচিত হয়। এরপরে দুদকের মামলায় সাজা হলে ২০১৮ সালে নির্বাচন করতে পারেনি এমপি বদি।

তবে আসনও হাত ছাড়া হতে দেয়নি। নিয়ন্ত্রণে রেখেছে রাজনীতি।

স্ত্রী শাহীন আকতারকে স্থলাভিষিক্ত করেন আওয়ামিলীগের নৌকা মনোনয়ন দৌড়ে।

 মনোনয়ন ও দেন আওয়ামীলীগ। নির্বাচিতও হন। বদির রাজ্যখ্যাত এই আসনে অপ্রতিরোধ্য বদি এবারও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আলোচনায়। রহস্যজনক কারনে আলোচিত সমালোচিত বদি এখনো রয়ে গেছেন আওয়ামিলীগের আস্থাভাজন হিসেবে।

 স্ত্রীর পরিবর্তে নেতা কর্মীদের সাথে, সভা, সেমিনারে সবসময় উপস্থিত থেকেছেন। এতে মনোনয়ন নিয়ে আবারো আলোচনায় উঠে আসে বদি। ওদিকে বদী ঠেকিয়ে গদি দখলে নিতে মাঠে নামছেন কারা নির্যাতিত মজলুম সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা সহ ডজনখানেক আওয়ামীলীগ প্রার্থীও।

 

কারা রয়েছেন মনোনয়ন দৌড়ে?

 

উখিয়া-টেকনাফ সারা বিশ্বে এখন পরিচিত নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবির হিসেবে।

আবার ইয়াবার স্বর্গরাজ্য হিসেবেও পরিচিত দেশজুড়ে। রোহিঙ্গা আশ্রয়স্থল হিসেবে কদর বেড়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

অতীতে স্বাধীনতা পরবর্তী এই আসনটি যারা জিতেছে তারাই সরকার গঠন করেছে। সেই লক্ষ্যে এবার ডজনখানেক প্রার্থী মরিয়া

 

মনোনয়ন পেতে।

তার মধ্যে শক্তপোক্ত প্রার্থী রয়েছেন বিরোধী ও সরকারি উভয় দল’ থেকে। বিএনপির ৪ বারের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী রয়েছেন এই আসনে।

 সাধারণ ভোটাররা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসলে এই আসনে নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা  নিরঙ্কুশ ভোটে জয়লাভ করবেন

কারন আওয়ামীলীগের গত ১৫ বছরের শাষনামল এবং এর আগে স্বাধীনতার পর থেকে যারা এই আসনে এমপি হয়েছেন বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী সহ সকলে নিজেদের আখর গুছিয়ে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের হামলার করে সর্ব শান্ত করে দেওয়ার পাশাপাশি দু উপজেলাকে সন্ত্রাস আর মাদক চোরাচালান স্বর্ন চালান আদম ব্যবসা সহ অপরাধের আখড়াই পরিনত করেছেন।

জানাগেছে বর্তমান সরকারের শাসনামলে মাদক ঘুষ দুর্নীতি বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সের কথা বলে কক্সবাজারের সাবেক এসপি মাসুদ এবং মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত খুনি  ওসি  প্রদীপ সিন্ডিকেটের মাদক নির্মুলের নামে নিজেদের বেপরোয়া মাদক সেবন ব্যবসা, বিচারবহির্ভুত মানুষ হত্যা সাধারন মানুষের উপর হামলা মামলা লোটপাট ও নারীদের সম্ভ্রম হানীর সময় মিডিয়া কোটায় নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মজলুম জননেতা দৈনিক কক্সবাজারবাণীর সম্পাদক ও প্রকাশক নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান ছাড়া অন্য সকল প্রার্থীরা গোপন মধুতে তুষ্ট হয়ে কেউ দালালী আবার কেই চাচা আপন প্রান বাচা পদ্বতি অনুসরন করে চুপচাপ ছিলেন।

ওই সময় সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় একের পর এক সংবাদ পরিবেশন করে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক এবং এসপি মাসুদ প্রদীপের রোষানলে পড়ে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতিত হয়ে অস্ত্র মাদক চাঁদাবাজীর ৬ টি সাজানো মামলায় টানা ১১ মাস ৫ দিন কারভোগ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্বাধীনতা স্বপক্ষীয় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সিনিয়র ভাইসচ্যায়ারম্যান,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএফ কেন্দ্রীয় নেতা কক্সবাজার জেলা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কারানির্যাতিত মজলুম  সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান।

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কে ঘিরে উখিয়া টেকনাফ সরেজমিন পরিদর্শন এবং সাধারণ মানুষের সাথে আলাপে জানাগেছে বর্তমানে ওই আসনে নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা ছাড়াও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দৌড়ে  মাদক ঘুষ ও দুর্নীতির টাকা উড়াচ্ছেন বদির শ্যালক উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজা পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির কবির চৌধুরী, বর্তমান সংসদ সদস্য শাহিন আক্তার।

নৌকার মনোনয়ন নিয়ে এমপি হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রদীপের জুলুমের সময় গোপন মধুতে তুষ্ট।সে সময়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন এবং আওয়ামীলীগের সুবিধাবাধী পুরনো রোহিংগা কাছিম রাজার ছেলে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ নেতা রাজা শাহ আলম,কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর।

এছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কবি আদিল উদ্দিন চৌধুরী, টেকনাফের নুরুল বশর, মাহাবুব মোর্শেদ ও সাইফুদ্দিন খালেদসহ প্রায় এক ডজন নেতা উখিয়া টেকনাফের এমপি হতে ইতোমধ্যে মনোনয়ন ক্রয় করছেন বলে জানাগেছে।

 

তা ছাড়াও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন, বদির চাচা শ্বশুর উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, তার স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী নিগার সোলতানা ও বদির আরেক চাচা শ্বশুর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলম চৌধুরী।

সরেজমিন পরিদর্শনে জানাগেছে ডজনপ্রার্থী যেমন চায় ‘সীমান্তের এমপি হতে তেমনি সাধারণ মানুষও চায় ইয়াবা, খুন, অপহরণ, চোরাকারবারি মুক্ত উখিয়া-টেকনাফ।

সাধারণ মানুষ বলছে, এবার সুষ্ঠু ভোট হলে যে প্রার্থী এসব কাজ বন্ধ করতে পারবে তাকেই ভোট দেবে তারা। অপর দিকে উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। তারা দলীয় কার্যক্রমে কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় মানুষের কাছে জামায়াতে ইসলামীর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে বলে জানান জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

 এই আসন থেকে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমির ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই জানান দিয়েছেন।

তবে এখনো জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল থাকায় নিরবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এখানে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম তেমন একটা নেই।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর মাত্র এক মাস বাকি।

ইতোমধ্যে কক্সবাজার-৪ আসনকে ঘিরে নির্বাচনী হাওয়া বইছে।

সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় বেরিয়ে আসছে কোন দল থেকে কে প্রার্থী হচ্ছেন। কাকে মনোনয়ন দিলে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া এ নির্বাচনে যারা প্রার্থী হবেন তাদের মধ্যেও দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচিত হন। আর সে দু’বারই বিএনপি ক্ষমতায় আসীন হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী এবং ২০০৮ সালে ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুর রহমান বদি এমপি নির্বাচিত • হন।

২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন বদির স্ত্রী শাহিন আক্তার। যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তখন ওই সরকারের এমপি নির্বাচিত হয়েছিল সীমান্তের এই আসনে।

সে হিসেবে এই আসনটি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও বলা যায়।

 

উল্লেখ্য এই আসনে সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব শফিউল আলম এবং জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী নৌকার মনোনয়ন জমা বলে খবর চাওর হলে স্থানীয় জনমনে অসন্তোষ আরও দানা বেধে ওঠে।

 

তাদের কেউ কেউ বলছেন, মন্ত্রী পরিষদের সচিব থাকা কালে শফিউল আলম ইচ্ছে করলে ফরিদুল মোস্তফা যে কাজটি করেছেন সে কাজটি করে উখিয়া টেকনাফবাসীর জানমাল রক্ষা এবং সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে পারতেন।

নাজনীন সারওয়ার কাবেরী কক্সবাজারে অন্যায়ের প্রতিবাদী মানবিক নেত্রীর খ্যাতি পেলেও উখিয়া টেকনাফবাসীর দুর্দিনে তিনি কিছুই করেন নি।

এছাড়া তিনি উখিয়া টেকনাফের স্থায়ী বাসিন্দা নন।

সেখানকার সাধারণ কোন মানুষ, যারা অনলাইন একটিভ নই তারা মানবিক এই নেত্রীকে তেমন চিনেন না।

তবে এই কথা সত্য কক্সবাজারের রাজনৈতিক বর্নাঢ্য পরিবারের অগ্নিকন্যা নাজনীন সারওয়ার কাবেরীকে তার ভাল কাজের প্রতিদান স্বরুপ প্রধানমন্ত্রী চাইলে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি বানানো কোন বিষয় নই।

 

সমাজে তার মত নেত্রীর প্রয়োজনীয়তা আছে।এছাড়া বাকি যেসব ব্যাক্তিরা এই আসনে এমপি হওয়ার তৎপরতা চালাচ্ছেন তাদের সকলের পরিবার পরিজনের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদক ঘুষ দুর্নীতি দম্ভ অহংকারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

 

যা নিরপেক্ষ তদন্তের সার্থে সর্বশ্রেণীর পেশার সৎ মানুষের সাথে আলাপ করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান সম্পাদিত


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন