• বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩টি পদে মোট ১৭জনের মনোনয়নপত্র দাখিল লাঞ্ছিত জীবনগাঁথা ঈদগাঁওতে ডিসি ও এস পি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে ঈদগাঁওতে নতুন পুরাতন প্রার্থীদের দৌঁড় ঝাঁপ ইয়াবা ও দালালীর জাদুতে আলাদীনের চেরাগপ্রাপ্ত কথিত সাংবাদিক নেতা কেতারা কি আইনের উর্ধ্বে? জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল হাই ৩১ দিন পর অক্ষত অবস্থায় মুক্ত জাহাজসহ জিম্মি থাকা ২৩ নাবিক জামিন প্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া, ঠেকানো যাচ্ছে না আগ্রাসন পেটে ভাত নেই,”গরিবের আবার কিসের ঈদ” কক্সবাজারে মাদক পতিতার মজুদ,আনন্দ বাড়াতে উড়াল দিচ্ছে ধনীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু

টেকনাফে দিনমজুরকে ধরে নিয়ে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজা
আপডেট : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩


টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে জায়গা জমির বিরোধের জের ধরে সাহাব উদ্দিন (২৫) নামক দিনমজুরকে ধরে নিয়ে গিয়ে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক যখম করেছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। ৩দিন গোপন রেখে রামু থানার দুইটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

এই ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় নবী হোসেন ওরফে লাদেন বাহিনী ও দফাদার আমিনুল হকের যোগসাজশ রয়েছে। ভিকটিম সাহাব উদ্দিন বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছে। তিনি হোয়াইক্যং কাঞ্জর পাড়ার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে। পেশায় ক্ষুদ্র কৃষিজীবী, দিনমজুর।

একমাত্র উপার্জনকারী স্বামী কারান্তরীণ থাকায় ২ সন্তান নিয়ে কষ্টে আছে জেসমিন আকতার। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

এদিকে, রবিবার (২০ আগস্ট) এ বিষয়ে কক্সবাজার শহরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন সাহাব উদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনার চিত্র তুলে ধরে স্ত্রী জেসমিন আকতার বলেন, গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাঞ্জরপাড়ার অলি হোসেনের দোকান থেকে আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। ৩ দিন পরে ১৮ আগস্ট রামু থানার পৃথক দুইটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। যেখানে একটি অস্ত্র আরেকটি ইয়াবার মামলা। যার থানা মামলা নং-৩৩, জিআর মামলা নং-৪৪৪/২৩ এবং থানা মামলা নং-৩৪, জিআর মামলা নং-৪৪৫/২৩। ওই মামলায় আমার স্বামী এখন কারাগারে বন্দি। জনসম্মুখ থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে উখিয়া থানায় কিভাবে মামলার আসামি করা হলো, প্রশ্ন জেসমিন আকতারের।

কারাবন্দি সাহাব উদ্দিনের ছোট ভাই এনামুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার ভাইকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পূর্বের জিআর ৩২৭/২০ (টেকনাফ) মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে মনে করে ১৪ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে রিকল সংগ্রহ করি। যার স্মারক নং-১৫২৭/২৩। ওই রিকলসহ টেকনাফ থানায় যোগাযোগ করলে সাহাব উদ্দিনকে কেউ থানায় সোপর্দ করেনি মর্মে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান। পরে জানতে পারি, তাকে উখিয়া থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মূলতঃ নবী হোসেন প্রকাশ লাদেন বাহিনী উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

এর আগে ২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাহাব উদ্দিনকে জনসমক্ষে গুলি করে নবী হোসেন লাদেনসহ তার বাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় নবী হোসেন লাদেনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ) আমলী আদালতে মামলা করা হয়। যার সিআর মামলা নং-১৫০/২৩। ওই হামলার ঘটনার আসামিদের নিকটাত্মীয় ইউনিয়নের দফাদার আমিনুল হক। তার ষড়যন্ত্রেই সাহাব উদ্দিনকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

সংবাদ সম্মেলনে সাহাব উদ্দিনের মা ফাতেমা খাতুন, পিতা নুরুল ইসলাম, জেঠা আবদুল জলিলসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন