• শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত  বর্নাঢ্য আয়োজনে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সমিতির বার্ষিক মিলন মেলা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন  লামায় মানবজমিন-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঈদগাঁওর সুপারি গলির আশপাশ ময়লা আবর্জনায় ভরপুর : ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ  উখিয়ায় আলোচিত সৈয়দ করিম হত্যাকন্ডের আসামী  সালামত উল্লাহ গ্রেফতার : রক্তাক্ত ছুরি ও নিহতের পরিহিত জামা উদ্ধার পুলিশ পদক পেলেন কক্সবাজার পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৪’ উপলক্ষে পদক পেলেন র‌্যাব-১৫ এর সিইও সহ ৩ কর্মকর্তা টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গনির নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে দুইটি অস্ত্র উদ্ধার। কুরআনের পথে না চললে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না : ক্বারী আবুল কাসেম সরকার বড় ভাইকে মারধরের ঘটনায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আনাছের সাজা আপিলেও বহাল

সাবেক ১১ ছাত্রদল নেতার বহিস্কারদেশ প্রত্যাহার

কক্সবাজারবানী’র সাথে থাকুন
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩

অবশেষে চার বছর পর প্রত্যাহার করা হলো ছাত্রদলের ১১ নেতার বহিষ্কারাদেশ। সোমবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়- ২০১৯ সালের ২২ জুন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার রহমান কবির, মামুন বিল্লাহ, জয়দেব জয়, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, বায়েজিদ আরেফিন, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দিন তুষার, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আজম সৈকত, আব্দুল মালেক, সাবেক সদস্য আজিজুল হক পাটোয়ারী আজিম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য নেতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ২২ জুন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের তখনকার সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনও ছিলেন; কিন্তু ইতোমধ্যে তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি পদ পেয়েছেন।
২০১৯ সালে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়। ওই সময় ২০০০ সালের এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীরাই ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এরপর হঠাৎ করে ভেঙে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় কমিটি; কিন্তু নতুন কমিটিতে তখন যারা পদপ্রত্যাশী ছিলেন তাদের বেশিরভাগ বয়সের সীমারেখায় বাদ পড়েন। তাই বয়সসীমা প্রত্যাহার করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে ছাত্রদলের একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
এ নিয়ে দুগ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। ভাঙচুর করা হয় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ও। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সমঝোতায় দলের সিনিয়র নেতারা কয়েক দফা বৈঠক করেও ব্যর্থ হন। দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বহিষ্কার প্রত্যাহারে নানাভাবে চেষ্টা করেন তারা। আর বিদ্রোহ করবে না, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেবে বলে হাইকমান্ডের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতিও দেন বহিষ্কৃতরা। কিন্তু অজানা কারণে ঝুলে থাকে তাদের বহিষ্কার প্রত্যাহার। অবশেষে চার বছর পর তাদের বহিষ্কার প্রত্যাহার করা হলো।

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান সম্পাদিত


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন