• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
লাঞ্ছিত জীবনগাঁথা ঈদগাঁওতে ডিসি ও এস পি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে ঈদগাঁওতে নতুন পুরাতন প্রার্থীদের দৌঁড় ঝাঁপ ইয়াবা ও দালালীর জাদুতে আলাদীনের চেরাগপ্রাপ্ত কথিত সাংবাদিক নেতা কেতারা কি আইনের উর্ধ্বে? জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল হাই ৩১ দিন পর অক্ষত অবস্থায় মুক্ত জাহাজসহ জিম্মি থাকা ২৩ নাবিক জামিন প্রাপ্ত মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া, ঠেকানো যাচ্ছে না আগ্রাসন পেটে ভাত নেই,”গরিবের আবার কিসের ঈদ” কক্সবাজারে মাদক পতিতার মজুদ,আনন্দ বাড়াতে উড়াল দিচ্ছে ধনীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু টেকনাফ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের সহায়তা চাইলেন এসপি মাহফুজ

এসআই আক্রামের রোষানলে সাংবাদিক, মুখ খুললেন দুই বছর পর

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

সময়টা ২০১৬ থেকে ২০১৮। অভিযোগ, এসময় ময়মনসিংহে কর্মরত পুলিশের এক উপ পরিদর্শকের (এসআই) পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশ্লিষ্টতায় ঘটে মাদকের জমজমাট ব্যবসা । যৌনপল্লীতে নারী পাচারের ঘটনা । সন্ত্রাস আর অস্ত্রের ঝনঝনানিসহ অপরাধ কার্যক্রম । আর অভিযোগের তীর ঐসময়ে কর্মরত এসআই আক্রামের বিরুদ্ধে।

এসআই আক্রামের এইসব অপরাধের চিত্র পত্রিকায় তুলে ধরেই রোষানলে পরেন দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক, দৈনিক আমাদের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি খায়রুল আলম রফিক । দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের ধারাবাহিকতায় শহরের চরপাড়ায় মাদক কারবারিদের সাথে এসআই আকরাম হোসেনের ঘনিষ্টতা বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ হয় । সেসময় এসআই আক্রাম হোসেন কর্মরত ছিলেন ৩নং ফাঁড়ি পুলিশে ।

সাংবাদিক রফিকের অভিযোগ, এসআই আক্রাম হোসেন তাকে আটক করে হেফাজতে রাখার নামে অকথ্য নির্যাতন চালায় যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। আক্রামের যোগসাজশে ষড়যন্ত্রমূলক ৩টি মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ দুই মাস থাকতে হয় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে । এরআগে তার চোখ বেঁধে অকথ্য নির্যাতন করে এসআই আক্রাম হোসেন বলে অভিযোগ করেন তিনি ।

এসআই আক্রামের বিরুদ্ধে সাংবাদিক রফিক ইতিমধ্যে পুলিশের আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেলে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগ নম্বর SL-17 এবং তারিখ ৫ই জানুয়ারি ২০২১।

অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেইটের বিপরীত দিকে আমি অবস্থান করছিলাম । এসআই আক্রামের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ আমার চোখ বেঁধে একটি কালো গাড়িতে করে আমার পত্রিকার কার্যালয়ে নিয়ে যায় । সেখানে থাকা আমার জমি ক্রয়ের দলিল, ব্যাংকের চেক ও কম্পিউটার জব্দ করে । দলিল ও ব্যাংক চেক প্রতিপক্ষের কাছে তুলে দিয়ে জব্দ দেখানো হয় শুধু কম্পিউটার । সেখান থেকে আমাকে নেয়া হয় ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র পুরাতন গুদারাঘাটস্থ দুর্গম চর এলাকায় । দুচোখ বেঁধে দু হাত পেছনে বেঁধে নির্যাতন চালানো হয় ।

কিন্তু দুই বছর পরে কেন বিষয়টি সামনে এনেছেন এমন প্রশ্নে সাংবাদিক রফিক বিডি২৪লাইভকে জানান, তিনি ঘটনাটি চক্ষু লজ্জার কারনে সামনে আনতে পারেননি এতদিন। তিনি জানান গত বছরের ডিসেম্বরে ২২ তারিখে অজ্ঞাত কোন এক ব্যাক্তি তার ম্যাসেঞ্জারে চোঁখ বাঁধা ছবি প্রদান করেন। যা দেখে তিনি আতঁকে উঠেন এবং সেই সব নির্যাতনের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভাসতে শুরু করে। এর পরপরই তার এই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হতে শুরু করে। একারনেই দুইবছর পর মুখ খুললেন বলে জানান তিনি।

এবিষয় বিডি২৪লাইভের সাথে কথা হয় অভিযুক্ত এসআই আক্রামের সাথে। তিনি বলেন, ওনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ দিয়েছে তা আমি এখনও দেখি নাই। আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। তবে এর আগেও ২০১৮ সালে তিনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার নামে একটি অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দিয়েছিল। সেটা পুলিশ হেডকোয়ার্টাস হয়ে আমাদের ময়মনসিংহে এসেছিল। এখানে আমার সিনিয়র যারা আছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করেছে। তৎকালীন সময়ে আমার বিরুদ্ধে করা তার (খায়রুল আলম রফিক) কোন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাই আমার বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নিতে পারেনি আমার সিনিয়ররা। ওনার (খায়রুল আলম রফিক) সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। ওনি কেন এসব করছে জানি না। আর আমি ওনাকে কোন মামলায় আটকও করিনি। আর আমার বিরুদ্ধে যদি মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজস থাকে সেটা প্রমাণিত হলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এতে আমার কোন আপত্তি নেই।


আরো বিভন্ন নিউজ দেখুন